সাহিত্য, শিল্প ও মানবিক প্রতিরোধের বার্তা নিয়ে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী “১ম রাজশাহী লিটারারি ফেস্টিভ্যাল ২০২৬”। নগরীর বড়কুঠি মুক্তমঞ্চে (পদ্মাগার্ডেন সংলগ্ন) আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায় এই ফেস্টিভ্যালের শুভসূচনা অনুষ্টিত হয়। দুইদিনব্যাপী এ উৎসব আয়োজন করেছে রাজশাহী রাইটার্স কালেকটিভ। চলবে আগামীকাল ৪ এপ্রিল শনিবার পর্যন্ত।
“যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানবিক কল্পনা” এই প্রতিপাদ্যে উৎসবটির শুভসূচনা হয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন, সন্নিধি সঙ্গীত নিকেতন। রাজশাহী রাইটার্স কালেকটিভ এর সংগঠক ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান আতিকের সঞ্চালনা ও পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি ও রাইটার্স কালেকটিভ এর সংগঠক রফিক জিবরান। উৎসবের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সংগঠক ও সম্পাদক, নাদিম সিনা। সঙ্গীত ও আলোচনায় অংশ নেন কবি ও সঙ্গীতশিল্পী কফিল আহমেদ।
সংহতি বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কাজী শুসমিন আফসানা, কবি মোস্তাক রহমান, আইনজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মী মুরাদ মোর্শেদ। সংহতি বক্তব্যে বক্তারা, যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ, সুসংগঠিত ও নৈতিক প্রতিরোধের অপরিহার্যতার ওপর জোরালোভাবে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির ধারাবাহিক সহিংসতা, দখল ও শোষণের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানে মানবতার পক্ষ ত্যাগ করা। এই প্রেক্ষাপটে বক্তারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেখক, শিল্পী ও সচেতন নাগরিকদের আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান এবং নিপীড়িত মানুষের সংগ্রামের সঙ্গে সক্রিয় সংহতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বক্তারা গাজা, ইরান, ভেনিজুয়েলা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন। তারা উল্লেখ করেন, এসব অঞ্চলের মানুষের রক্ত, বেদনা ও প্রতিরোধ কেবল ভৌগোলিক বাস্তবতা নয় এটি আমাদের সম্মিলিত নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। বক্তারা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই যুদ্ধ, দখল ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নির্ভীক অবস্থান গ্রহণ করা।
প্রথম পর্বের কবিতাপাঠে অংশগ্রহণ করেছেন রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ। যুদ্ধ ও আগ্রাসনবিরোধী চিত্রাঙ্কনে অংশগ্রহণ করেন রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীবৃন্দ। এছাড়াও উৎসব প্রাঙ্গনে লিটলম্যাগ ও বই প্রদর্শনী এবং পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
দুইদিনব্যাপী উৎসবের বিভিন্ন পর্বে অনুষ্ঠিত হবে কবিতা পাঠ, লিট্ল ম্যাগ পাঠ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রতিষ্ঠানাবিরোধী সাহিত্যচর্চা ও আলোচনা, নির্বাচিত বইয়ের পরিচিতি ও আলোচনা। থাকবে যুদ্ধ ও আগ্রাসনবিরোধী সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আলোকে মানবিক স্মৃতি, লিটল ম্যাগাজিন চর্চা এবং চলচ্চিত্র ও দৃশ্যমাধ্যমে প্রতিরোধ ও মানবতার উপস্থাপন । সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের খ্যাতনামা লেখক, গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা অংশ নেবেন।
এছাড়া প্রদর্শিত হবে যুদ্ধবিরোধী ডকুমেন্টারি ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, গান, গীতিনাট্য ও গণনাটকের পরিবেশনা। গীতিনাট্য পরিবেশন করবেন ল্যাডলী মোহন মৈত্র ও আলো রানী মৈত্র। মানবতার আদালত: সাম্রাজ্যবাদের অপরাধসমূহের বিচার শীর্ষক গণনাটক পরিবেশিত হবে।
আয়োজকরা মনে করেন “বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় নীরবতা একটি অপরাধ। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে প্রতিরোধের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য।
“যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানবিক কল্পনা” এই প্রতিপাদ্যে উৎসবটির শুভসূচনা হয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন, সন্নিধি সঙ্গীত নিকেতন। রাজশাহী রাইটার্স কালেকটিভ এর সংগঠক ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান আতিকের সঞ্চালনা ও পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি ও রাইটার্স কালেকটিভ এর সংগঠক রফিক জিবরান। উৎসবের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সংগঠক ও সম্পাদক, নাদিম সিনা। সঙ্গীত ও আলোচনায় অংশ নেন কবি ও সঙ্গীতশিল্পী কফিল আহমেদ।
সংহতি বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কাজী শুসমিন আফসানা, কবি মোস্তাক রহমান, আইনজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মী মুরাদ মোর্শেদ। সংহতি বক্তব্যে বক্তারা, যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ, সুসংগঠিত ও নৈতিক প্রতিরোধের অপরিহার্যতার ওপর জোরালোভাবে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির ধারাবাহিক সহিংসতা, দখল ও শোষণের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানে মানবতার পক্ষ ত্যাগ করা। এই প্রেক্ষাপটে বক্তারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেখক, শিল্পী ও সচেতন নাগরিকদের আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান এবং নিপীড়িত মানুষের সংগ্রামের সঙ্গে সক্রিয় সংহতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বক্তারা গাজা, ইরান, ভেনিজুয়েলা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন। তারা উল্লেখ করেন, এসব অঞ্চলের মানুষের রক্ত, বেদনা ও প্রতিরোধ কেবল ভৌগোলিক বাস্তবতা নয় এটি আমাদের সম্মিলিত নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। বক্তারা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই যুদ্ধ, দখল ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নির্ভীক অবস্থান গ্রহণ করা।
প্রথম পর্বের কবিতাপাঠে অংশগ্রহণ করেছেন রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ। যুদ্ধ ও আগ্রাসনবিরোধী চিত্রাঙ্কনে অংশগ্রহণ করেন রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীবৃন্দ। এছাড়াও উৎসব প্রাঙ্গনে লিটলম্যাগ ও বই প্রদর্শনী এবং পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
দুইদিনব্যাপী উৎসবের বিভিন্ন পর্বে অনুষ্ঠিত হবে কবিতা পাঠ, লিট্ল ম্যাগ পাঠ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রতিষ্ঠানাবিরোধী সাহিত্যচর্চা ও আলোচনা, নির্বাচিত বইয়ের পরিচিতি ও আলোচনা। থাকবে যুদ্ধ ও আগ্রাসনবিরোধী সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আলোকে মানবিক স্মৃতি, লিটল ম্যাগাজিন চর্চা এবং চলচ্চিত্র ও দৃশ্যমাধ্যমে প্রতিরোধ ও মানবতার উপস্থাপন । সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের খ্যাতনামা লেখক, গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা অংশ নেবেন।
এছাড়া প্রদর্শিত হবে যুদ্ধবিরোধী ডকুমেন্টারি ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, গান, গীতিনাট্য ও গণনাটকের পরিবেশনা। গীতিনাট্য পরিবেশন করবেন ল্যাডলী মোহন মৈত্র ও আলো রানী মৈত্র। মানবতার আদালত: সাম্রাজ্যবাদের অপরাধসমূহের বিচার শীর্ষক গণনাটক পরিবেশিত হবে।
আয়োজকরা মনে করেন “বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় নীরবতা একটি অপরাধ। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে প্রতিরোধের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য।
স্টাফ রিপোর্টার